নীলফামারী জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত শিক্ষালাভের জন্য ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছমিরউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের আত্ম প্রকাশের পূর্বে এখানে একটি ফোরকানিয়া মাদ্রাসা ছিল৷ ফোরকানিয়া মাদ্রাসাটি নীলফামারী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছিল৷ পরবর্তীকালে নীলফামারীর একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব আহম্মদ দাদা ভাই যিনি তদানিন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের অধিবাসী ছিলেন, তার নামে আহম্মদ দাদাভাই কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর অত্র ফোরকানিয়া মাদ্রাসাটি আহম্মদ দাদাভাই জুনিয়র মাদ্রাসা নামে পরিচালিত হয়ে আসছিল৷ মাদ্রাসার সকল ব্যয় কোম্পানী কর্তৃক নির্বাহ করা হতো৷ দেশ বিভাগের পর ষাটের দশকে আহম্মদ দাদাভাই কোম্পানী তদানিন্তন পশ্চিম পাকিস্তানে এর স্বদেশে করাচীতে চলে যায়৷ ফলে কিছুদিনের জন্য মাদ্রাসাটি স্থানীয় জনসাধারণের অনুদানে পরিচালিত হতে থাকে ৷অত্র এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য এক মাত্র নীলফামারী ইংলিশ মডেল হাইস্কুল ছাড়া অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না৷ ফলে স্থানীয় জনসাধারণের ছেলে মেয়েদের শিক্ষার প্রসারের জন্য অন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব বোধ থেকে তৎকালিন মহকুমা প্রশাসক (এসডিও) জনাব আমিরুজ্জামান সি.এস. পি মহোদয় বিশেষ শিক্ষানুরাগী হওয়ায় তিনি আহম্মদ দাদাভাই জুনিয়র মাদ্রাসাটিকে হাইস্কুলে পরিনত করার প্রস্তাব করেন৷ সেই সময় নীলফামারী ইউনিয়নপরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী, বিশিষ্ট তামাক ব্যবসায়ী ছমিরউদ্দিন চৌধুরী এবং মাদ্রাসার সম্পাদক জনাব আব্দুলগণী চৌধুরীসহ অন্যান্য সদস্যগণের সঙ্গে পরামর্শ করে আহম্মদ দাদাভাই কোম্পানীকে লিখিতভাবে জানানো হলে কোম্পানী উক্ত মাদরাসার কোনদায়-দায়িত্ব বহন করার অপারগতা প্রকাশ করে৷ ফলে, মহকুমাপ্রশাসক(এস.ডি.ও) সাহেবের নির্দেশক্রমে একটি সভা আহবান করা হয় এবং বিশিস্ট তামাক ব্যবসায়ী জনাব ছমিরউদ্দিন চৌধুরীর পৃষ্ঠপোষকতায় আহম্মদ দাদাভাই জুনিয়র মাদ্রাসাটিকে ১৯৬২ সালে জুনিয়র স্কুলে পরিনত করাহয় এবং সরকারের নিকট অনুমোদন লাভ করে।পরবর্তীকালে এটি ২০১২ সালে কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
One of the oldest high school of the district.
Like it