Great
Love this
Joy jahagir
Myth
মোখলেসুর রহমান চিশতী (রঃ)
I loved it
nice
ফিরএর দর বারে হাজার চালাম বরশিত হক এই কমনা করি
মির্জাখীল দরবার শরীফ
.
প্রায় দুই শত বছর আগে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া মির্জাখিল গ্রামে মির্জাখিল দরবার শরীফ (চাঁদ টুপি) মাওলানা মোখলেছুর রহমান জাহাঁগিরি একদিন আগে অর্থাৎ পৃথিবীর যেকোন দেশে চাঁদ দেখা গেলে রোযা ও ঈদ এবং কোরবানীসহ সকল ধর্মীয় উৎসব পালন করার নিয়ম প্রবর্তন করেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় তারা শুধু সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ করেন এবং রোজা রাখেন যদিও পৃথিবীর অন্য দেশে সৌদি আরবের আগে চাঁদ দেখা যাক না কেন। লোকজন সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে থাকে।
তারই উত্তরসুরি মাওলানা আবদুল হাই জাহাগীরির অন্যতম খলিফা চন্দনাইশ শাহ্ ছুফি দরবারের পীর মাওলানা শাহ ছুফি আমজাদ আলীর মুরিদ ও অনুসারীরা একই নিয়মে প্রায় শতবর্ষ ধরে একদিন আগে থেকে ঈদ উৎসব পালন করে আসছে। রোজাও রাখছে এসব গ্রামের বাসিন্দারা একদিন আগে থেকে।
.
তাদের কিছু ধর্মীয় বিশ্বাসঃ
১। তারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে বাংলাদেশের অধিকাংশ মুসলিমদের একদিন আগেই রোজা রাখে এবং ঈদ করে। যদিও প্রথম প্রথম রোজা একদিন আগে ভেঙ্গে ফেললেও ঈদ করতো স্থানীয়দের সাথে তার পরের দিন। অনেকটা সমালোচিত হওয়ার পরেই তারা একদিন আগে ঈদও করা শুরু করে।
২। তারা ঈদুল ফিতর বা রোজা একদিন আগে রাখলেও ঈদুল আযহা একদিন আগে করে না।
৩। স্থানীয়দের মতে তারা সৌদি আরবের সময়ের সাথে মিল রেখে নামাজ আদায়ও করে। যদিও তাদের বেশিরভাগ অনুসারী বেনামাজী।
৪। তাদের মসজিদের থেকে মাজার বা দরবারের চাকচিক্য বেশি। মসজিদ কোনরকম ভাঙ্গাচোরা কিন্তু দরবার বা মাজার পাকা করা ও টাইলসকৃত।
৫। তারা বিশ্বাস করে রাসুল সাঃ নূরের তৈরি এবং কারো সাথে বন্ধুত্ব বা শত্রুতা করার আগে তাই তারা কাউকে রাসুল সাঃ কিসের তৈরি এই প্রশ্ন করে নিশ্চিত হয়।
৫। তারা মারা গেলে তাদের খাটিয়া এবং লাশের উপর কালিমাখচিত একটি চাদর রাখে। এতে করে মৃতের গুনাহ মাফ হয় বলে তারা বিশ্বাস করে।
৬। তারা মারা গেলে কবরে তাদের সাথে পীরের লিখিত একটি সুপারিশনামা দেয়। এটি তাদের পরকালের জীবনে উপকারে আসবে বলে তারা বিশ্বাস করে।
৭। তারা মুরিদদের থেকে মাসিক হাদিয়া বা চাঁদা আদায় করে এবং মানত গ্রহণ করে। অনেক দরিদ্র পরিবার থেকে অনেকসময় স্থানীয় প্রতিনিধিরা জোর করে চাঁদা আদায় করে থাকে।
৮। তারা চাঁদ টুপি মাথায় দেয়।
৯। তাদের মুরিদদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে পীর ছাড়া জান্নাতে যাওয়া সম্ভব না।
১০। তারা বছরে অন্তত একবার পীরের মাজার বা দরবার জিয়ারত করে।
১১। গ্রামের অনেকেই পীরের মাজারে মানত করে। যেমনঃ একটি নতুন নারিকেল গাছে নারিকেল ধরেছে সেই গাছের প্রথম নারিকেল তারা পীরের জন্য মানত করে। এভাবে ডিম, গাভীর দুধ, গাছের ফল ইত্যাদি ইত্যাদি। এছাড়াও কেউ অসুস্থ হলে, খারাপ স্বপ্ন দেখলে কিংবা বিপদে পরলে পীরের মাজারে মানত করে যাতে তারা আরোগ্য লাভ করে।
১২। তাদের মসজিদে মুরিদ বাদে দর্শনার্থীদের নামাজ আদায়ে কড়াকড়ি শর্ত আরোপ করে বাধা দেয়া হয়।
১৩। মাজারের সামনে খোলা মাঠেও জুতা পায়ে হাটতে দেয়া হয় না পীরের সম্মানহানির অযুহাতে।
বিঃদ্রঃ তাদের মুরিদদের অধিকাংশই সুদখোর, সিগারেটখোর। এব্যাপারে মনে হয় তাদের পীর তাদের বারণ করে না। আর এ জন্যই তাদের মধ্যে এগুলো ত্যাগের কোন উৎসাহ বা অনুপ্রেরণা দেখা যায় না।
Khadam boosi sarkaar
মির্জাখীল দরবার শরিফ। ধর্মীয় সব উৎসব সৌদি আরবের দিনেই পালন করা হয়।