১৩০০ শতকের শুরুর দিকে কাতাল পীর (রঃ) উক্ত এলাকায় দ্বীনের প্রচার শুরু করেন। একদিন নামাজের সময় নামাজ পড়া অবস্থায় মগেরা উনাকে হত্যা করেন। দিনটি ছিল আশুরার দিন। এর পরে উনাকে এই স্থানে সমাধিত করা হয়। পরবর্তীতে প্রায় তিন শত বছর পরে ১৬০০ শতকের দিকে শহীদ কাতাল পীর (রহঃ) এর এক আত্মীয় আল্লামা আতিউল্লাহ বিন সৈয়দ মুসা আরব থেকে এসে কাতাল পীর এর সমাধী স্থলে ধর্মপ্রচার, মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন পূর্বক কার্যক্রম শুরু করেন। পরবর্তীতে কাতাল পীর এর ওফাতের দিনকে কেন্দ্র করে মহরমের ১০ তারিখ এইখানে মনজিল হয়। কালক্রমে এই জায়গাটি ঐতিহাসিক মনজিলের দরগা নামে রুপ নেয়।
ঐতিহাসিক মঞ্জিলের দরগাহ