• Delete
  • Edit

About

Kella Shahid Mazar is a place of worship, located at Khorompur, Akhaura, Bangladesh

Location :
Khorompur, Akhaura

Added by Jopie, at 14 July 2016

Add missing information

Add email
Add phone
Add business description
Add website
Add Social Media
Add Products and Services

13 Reviews

  • Md. Akayed Bhuiyan
    30 April 2018

    spiritual peaceful place.

    response / report this review
  • COC Attack
    07 April 2018

    Not Bad, Not Good.

    response / report this review
  • Md Bashar
    26 March 2018

    nice place..

    response / report this review
  • TechHelp Bangla
    22 March 2018

    Lots of people coming here to waship from different places

    response / report this review
  • Sajnan Mohammed Nibir
    09 January 2018

    Largest Mazar

    response / report this review
  • MD. KAMRUZZAMAN
    09 December 2017

    থানার খড়মপুরে অবস্থিত হজরত সৈয়দ আহম্মদ (রঃ) এর দরগাহ যা কেল্লা শহীদের দরগাহ নামে সমগ্র দেশে পরিচিত। কেল্লা শহীদের দরগাহ সম্পর্কে যে কাহিনী প্রচলিত আছে তা হচ্ছে এই যে, সে সময় খড়ম পুরের জেলেরা তিতাস নদীতে মাছ ধরত। একদিন চৈতন দাস ও তার সঙ্গীরা উক্ত নদীতে মাছ ধরার সময় হঠাৎ তাদের জালে একটি খন্ডিত শির আটকা পড়ে যায়। তখন জেলেরা ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে এবং খন্ডিত শিরটি উঠাতে গেলে আল্লাহর কুদরতে খন্ডিত শির বলতে থাকে ‘একজন আস্তিকের সাথে আর একজন নাস্তিকের কখনো মিল হতে পারে না। তোমরা যে পর্যন্ত কলেমা পাঠ করে মুসলমান না হবে ততক্ষণ আমার মস্তক স্পর্শ করবে না।’ খন্ডিত মস্তকের এ কথা শুনে মস্তকের কাছ থেকে কলেমা পাঠ করে চৈতন দাস ও সঙ্গীরা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হয়ে যায়। মস্তকের নির্দেশ মোতাবেক ইসলামী মতে খড়মপুর (তিতাস পাড়ে) কবরস্থানে মস্তক দাফন করে। ধর্মান্তরিত জেলেদের নাম হয় শাহবলা, শাহলো, শাহজাদা, শাহগোরা ও শাহরওশন। তাঁরাই এ দরগাহের আদিম বংশধর। এই দরগাহের খ্যাতি ধীরে ধীরে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ থেকেই শাহ পীর সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ ওরফে কেল্লা শহীদের পবিত্র মাজার শরীফ নামে পরিচিতি লাভ করে। ২৬০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত দরগা শরীফের জায়গা তৎকালীন আগরতলা রাজ্যের মহারাজা দান করেন। বিভিন্ন ঐতিহাসিকগণ অনুমান করেন যে, আওলিয়া হজরত শাহ জালাল (রঃ) এক সঙ্গে সিলেটে যে ৩৬০ জন শিষ্য এসেছিলেন হজরত সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ ছিলেন তাঁদের অন্যতম। তরফ রাজ্যেও রাজা আচক নারায়নের সঙ্গে হজরত শাহজালালের প্রধান সেনাপতি হজরত সৈয়দ নাসিরউদ্দিন যে যুদ্ধ পরিচালনা করেন সে যুদ্ধে হজরত সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ শহীদ হন এবং তাঁর মস্তক তিতাস নদীর স্রোতে ভেসে আসে। লোক মুখে কথিত ছাড়া সঠিক ইতিহাসে কোন খোজ ঠিকানা নেই। তবে এই কথাও প্রচলিত আছে যে, নিম্মবর্ন হিন্দু জেলে সম্প্রদায় একই জেলার নবীনগর থেকে শক্তিশালী ব্রাক্ষন দ্বারা বিতারিত হয়ে তিতাস পাড়ে বসতি গড়ে ছিলেন। মৎস আহোরনের ক্ষুদ্র আয়ে খেয়ে পড়ে বেচে থাকার নিদারুন কষ্ট থেকে পরিত্রান পেতেই এই চার মালু ফন্দি আটকান এবং শুরুতে হিন্দু হিসাবেই খাদেম থাকলেও ধীরে ধীরে মুসলমানের প্রভাব বাড়তে থাকায় ব্যবসায়িক কতৃত্ব বজায় রাখতে মুসলমান নাম ধারন করেন যদিও তাদের ধর্মান্তরিতের কোন তত্ব প্রমান কারো আছেই নেই। এখন প্রতি বছর কেল্লা শহীদের মাজারে বাংলা ভাদ্র মাসের ২৬-৩০ তারিখ বাৎসরিক ওরসে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়। হয় কোটি কোটি টাকা আর অসংখ্য ছোট বড় প্রাণী ও উপহার সমাহার। এর ছোট্র একটি অংশ ডাল খিচুড়িতে ব্যয় হয় আর বাকী খাদেম গোষ্টির পকেটে এমনকি খাদেমের ছেলে মেয়ে সবাই এর অংশ পায় শ্রেনীবিভাগে । উপরে উল্লেখিত চার বংশের লোকজন ব্যাতিত অন্য কেহ মাজার পরিচালনা কিংবা খাদেম নিয়োজিত হতে পারে না। পরিচালনা ও অন্যান্য শাখার ক্ষমতার দন্ডে অনেক হত্যাকান্ড গঠিত হয়েছে কিন্তু চতুর খাদেম গোষ্টি নিজেদের মধ্যেই বিবাদ মিটিয়ে হত্যাকে দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দিয়েছে। ক্ষমতা দখলে নির্বাচন প্রথা চালুর পর এক ভয়াবহ রুপ ধারন করে। পয়সা দিয়ে ভোট কেনা, ব্লাক্মমেইল করে ভোট আদায় ইত্যাদি ইত্যাদি। নিজ আয়ত্বের বাহিরে কিছু ঘটলে তখন কিন্তু আর গোপন থাকেনা এমনি তাদের একটি অংশ,

    response / report this review
  • Mohammad Ali
    25 November 2017

    we are proud for it

    response / report this review
  • Mojamel Haq
    21 October 2017

    মোজাম্মেল হক

    response / report this review
  • Md Mojaien Hossaen
    08 May 2017

    একজন বিখ্যাত ব্যক্তির কবরের পাশে যা হচ্ছে তা খুবই খারাপ ।। সবাই কে সোচ্চার হওয়া দরকার এমন ভন্ডামি যাতে না হয়।

    response / report this review
  • Tanvir Hasan
    06 April 2017

    ভ্রমণের জন্য যাওয়া যেতে পারে তবে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য আদর্শ স্থান নয়।
    বেপর্দা নারী-পুরুষ একত্রে বসে থাকে আর গাঁজা সেবন করে, কথিত বাবার কবরে সিজদা করে থাকে।
    ধর্মের নামে ভন্ডামি দেখার জন্য একটি উত্তম স্থান।
    গাঁজা সেবন করতে যারা ভালবাসেন, তাদের জন্য এটি সর্বোৎকৃষ্ট স্থান।

    response / report this review
  • Raj Rabby
    23 February 2017

    Nice

    response / report this review
  • Ibrahim Chowdhury
    08 January 2017

    কেল্লা শাহ্ র,জিন্দাবাদ

    response / report this review
  • Gazi Salah Uddin
    21 July 2016

    This is a renowned Muslim Shrine.

    response / report this review

Rate & Write Reviews