• Delete
  • Edit

Dumuria Upazila Parishad

Dumuria Upazila

About

Dumuria Upazila Parishad is a point of interest, located at Dumuria Upazila, Bangladesh. Visit their website dumuria.khulna.gov.bd for more detailed information.

Location :
Dumuria Upazila
Added by Jopie, at 19 October 2016

Add missing information

Add email
Add phone
Add business description
Add Social Media
Add Products and Services

2 Reviews

  • মোঃ আছিবউর রহমান আছিব
    30 May 2018

    Dumuria is an upazila of Khulna district in the division of Khulna. Dumuria has 14 unions, 204 mauzas and 230 villages. This is the head office of all unions under this upazila. Local people come here to take services. Developing works of all unions under this upazila are controlled by this upazila parishad. This office is always busy.

    response / report this review
  • Dumuria ICT
    26 October 2016

    সাধারণ তথ্যাবলী

    সীমানা:
    উত্তরে ফুলতলা উপজেলা, দক্ষিনে বটিয়াঘাটা ও পাইকগাছা উপজেলা, পূর্বে বটিয়াঘাটা উপজেলা ও সোনাডাঙ্গা থানা, পশ্চিমে সাতক্ষীরা জেলার তালা্ উপজেলা ও যশোর জেলার কেশবপুর, মনিরামপুর ও অভয়নগর

    ডুমুরিয়া উপজেলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীঃ
    বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের বিভাগীয় শহর খুলনা। এই জেলার ০৯ টি উপজেলার মধ্যে সর্ববৃহৎ উপজেলা ডুমুরিয়া । ঐতিহাসিক সতিশ চন্দ্র মিত্রের ‘‘যশোর খুলনার ইতিহাস’’গ্রন্থে দেখা যায় দশম শতকে ডুমুরিয়া ভরত রাজার শাসনাধীনে ছিল। যশোরের কেশবপুর উপজেলার ভরত ভায়নার ভরতের দেউল দৃষ্টে একথার সত্যতা প্রতীয়মান হয়। পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যভাগের ডুমুরিয়া এলাকায় ইসলাম ধর্মের প্রচার ও মুসলিম শাসন প্রবর্তিত হয়। ১৯৮৪ সালে মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের আরশনগর গ্রামে একটা বহু পুরনো জলাশয়ের পাশে পুরনো ভগ্ন স্তুপের মধ্যে একটা শিলালিপি পাওয়া যায়। উক্ত শিলালিপিতে হযরত শাহআফজালের নাম পাওয়া যায়। অপরদিকে পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশের অন্যন্য অঞ্চলের মত ডুমুরিয়া মাগুরাঘোনা, আটলিয়া, শোভনা, খর্ণিয়া, প্রভৃতি অঞ্চলে হাজি মোহাম্মদ মহসিনের জমিদারী প্রসারিত হয়। ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়া গ্রামে শাহজামাল নামে আর একজন মুসলিম ধর্ম প্রবক্তার পরিচয় পাওয়া যায়।

    উপজেলার মৌলিক তথ্যঃ
    জেলা খুলনা, উপজেলা ডুমুরিয়া
    উপেজলা গঠিত হয় ১৫-০৪-১৯৮৩ খ্রিঃ
    সীমানা উত্তরে ফুলতলা উপজেলা, দক্ষিনে বটিয়াঘাটা ও পাইকগাছা উপজেলা, পূর্বে বটিয়াঘাটা ও সোনাডাঙ্গা থানা, পশ্চিমে সাতক্ষীরা জেলার তালা্ উপজেলা ও যশোর জেলার কেশবপুর, মনিরামপুর ও অভয়নগর।
    জেলা সদর হতে দূরত্ব ১৬কি:মি:
    আয়তন ৪৫৪.২৩বর্গ কিলোমিটার
    জনসংখ্যা ৩,০৫,৬৭৫জন, পুরুষ ১,৫৩,১১১জন, মহিলা ১,৫২,৫৬৪জন
    লোক সংখ্যার ঘনত্ব ৬১০জন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে)
    নির্বাচনী এলাকা খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা)
    গ্রাম ২৩৭টি
    মৌজা ২০৪টি
    ইউনিয়ন ১৪টি
    এতিমখানা সরকারী ০৯টি
    এতিমখানা বে-সরকারী ০৩ টি
    মসজিদ ২৩৭টি
    মন্দির ১৩২টি
    নদ-নদী ০২টি
    জলমহল ১০৩টি (ইজারাযোগ্য-৬৯টি)
    হাট-বাজার ৪২টি
    ব্যাংক শাখা ১২ টি
    পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস ২৯টি
    টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ০১ টি

    কৃষি সংক্রান্ত
    মোট আবাদী জমির পরিমান ৮৫,৩৮২একর
    এক ফসলী জমি ৫৪,২৬০হেক্টর
    দুই ফসলী জমি ২৩,০০২হেক্টর
    তিনফসলী জমি ৮,১২০হেক্টর

    শিক্ষা সংক্রান্ত
    সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১১০ টি
    কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ০৫টি
    মহাবিদ্যলয় মহাবিদ্যালয় ১২টি
    কলেজিয়েট স্কুল ০২ টি
    মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৬৩টি
    সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যলয় ০১টি
    মাদ্রাসা ৩০টি
    কারিগরি বিদ্যালয় ০১টি
    শিক্ষার হার ৫৫.৬৬%

    স্বাস্থ্য সংক্রান্ত
    হাসপাতাল ০৩টি
    পরিবার কল্যান কেন্দ্রের সংখ্যা ১২টি
    কমিউনিটি ক্লিনিক এর সংখ্যা ৪০টি
    পদায়নকৃতডাক্তারের সংখ্যা ৮ জন
    এম্বুবুলেন্স এর সংখ্যা ২টি
    মঞ্জুরীকৃত ডাক্তারের সংখ্যা ২৩জন

    ভূমি ও রাজস্ব সংক্রান্ত
    মৌজা ২০৪টি
    ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৭টি
    খাস জমি ১৭২০.৬০একর
    কৃষি ১২৬০.৬০ একর
    অকৃষি ৪৬০.০০ একর
    হাট-বাজারের সংখ্যা ৩৫টি

    উপজেলার পটভূমিঃ
    বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের বিভাগীয় শহর খুলনা। এই জেলার ০৯ টি উপজেলার মধ্যে সর্ববৃহৎ উপজেলা ডুমুরিয়া । ঐতিহাসিক সতিশ চন্দ্র মিত্রের ‘‘যশোর খুলনার ইতিহাস’’ গ্রন্থে থেকে দেখা যায় দশম শতকে ডুমুরিয়া ভরত রাজার শাসনাধীনে ছিল। যশোরের কেশবপুর উপজেলার ভরত ভায়নার ভরতের দেউল দৃষ্টে একথার সত্যতা প্রতীয়মান হয়। পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যভাগের ডুমুরিয়া এলাকায় ইসলাম ধর্মের প্রচার ও মুসলিম শাসন প্রবর্তিত হয়। ১৯৮৪ সালে মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের আরশনগর গ্রামে একটা বহু পুরনো জলাশয়ের পাশে পুরনো ভগ্ন স্তুপের মধ্যে একটা শিলালিপি পাওয়া যায়। উক্ত শিলালিপিতে হযরত শাহআফজালের নাম পাওয়া যায়। অপরদিকে পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশের অন্যন্য অঞ্চলের মত ডুমুরিয়া মাগুরাঘোনা, আটলিয়া, শোভনা, খর্ণিয়া, প্রভৃতি অঞ্চলে হাজি মোহাম্মদ মহসিনের জমিদারী প্রসারিত হয়। ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়া গ্রামে শাহজামাল নামে আর একজন মুসলিম ধর্ম প্রবক্তার পরিচয় পাওয়া যায়।

    উল্লেখযোগ্য স্থান ও স্থাপনা:
    চুকনগর, চুকনগর বদ্ধভুমি,&আরশনগর শেখ শাহআফজাল মসজিদ।

    response / report this review

Rate & Write Reviews