আমি রাজু আহমেদ। পিতা: মোঃ আব্দুর রশীদ শেখ, মাতাঃ নুরজাহান আক্তার। আমার গ্রাম নিয়েআমি খুব গর্ববোধ করি। শ্যামকুড়ের মাটি,বাতাস,পানি,রোদ প্রকৃতির সবকিছুই আমার রক্তে একাকার হয়ে আছে।
শ্যামকুড় আমার গ্রাম আমার গর্ব, এই ছোট্ট গ্রামটিকে বিশ্বমানে তুলে ধরতে এই ছোট্ট প্রয়াস।
শ্যামকুড়। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের ঐতিহ্যবাহী একটা গ্রাম। গ্রামঠা বহু পুরোনো। দুটো বয়সী অশ্বত্থগাছ এর প্রাচীনত্বের সাক্ষী দেয়। মাটির এছাড়া পোড়া মাটির নানা তৈজসপত্র, বাটুল, ভগ্নকোঠা এর গৌরবময় অতীতে পরিচয় তুলে ধরে। ১৯৪৭ সালে গ্রামটি যশোহর জেলার বনগাঁও মহাকুমার মহেশপুর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত ছিল। দেশভাগের পর মহেশপুরকে ঝিনাইদহ মহাকুমার সাথে যুক্ত করা হয়। ১৯৮৪ সালে ঝিনাইদহকে জেলা সদরে উন্নীত করা হলে শ্যামকুড়ও এর অন্তর্ভূক্ত হয়। ইছামতী নদী গ্রামটিকে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা ও নদীয়া জেলা থেকে বিভক্ত করেছে।