সাতগাছিয়া গায়েবানা মসজিদ
সাতগাছিয়া গায়েবানা মসজিদ বাংলাদেশেরঝিনাইদহ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। এটি কালীগঞ্জ উপজেলারবারোবাজার ইউনিয়ন থেকে ৬ কিলোমিটার পশ্চিমে সাতগাছিয়া গ্রামে অবস্থিত।[১]
সাতগাছিয়া গায়েবানা মসজিদসাতগাছিয়া আদিনা মসজিদ
সাতগাছিয়া গায়েবানা মসজিদ
প্রাথমিক তথ্যঅবস্থানসাতগাছিয়া, কালীগঞ্জ উপজেলা, ঝিনাইদহ জেলাঅন্তর্ভুক্তিইসলামউৎসবঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহাপৌরসভাবারোবাজারজেলাঝিনাইদহ জেলাদেশ বাংলাদেশযাজকীয় বা
সাংগঠনিক অবস্থামসজিদঅবস্থাসংরক্ষিতঐতিহ্যবাহী উপাধি১৯৯৩মালিকবাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরস্থাপত্যের বিবরণস্থাপত্যের ধরনমসজিদস্থাপত্য শৈলীতুঘলকি নির্মাণশৈলীবিবরণসমূহসংমুখভাগের দিকপূর্বদিকদৈর্ঘ্য২৪.২৫ মিটারপ্রস্থ১৮.৫৫ মিটারউচ্চতা (সর্বোচ্চ)১.৮৫ মিটারগম্বুজ৩৫
ইতিহাসসম্পাদনা
১৯৮৩ সালে স্থানীয় জনগণ বিরাট আকারের ঢিবির কিছু অংশ খনন করে। খননের ফলে ১৬টি থাম ও পোড়ামাটির নকশাসহ ৫টি মেহরাব বিশিষ্ট এই মসজিদ আবিস্কার করে। পরে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ১৯৯০ সালে খনন করে ৩৫ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির ধংসাবশেষের অস্তিত্ব খুঁজে পায়। মসজিদটি খান জাহান আলী নির্মিত ষাট গম্বুজ মসজিদ ও তুঘলকি স্থাপত্যশৈলী অনুরূপ।[২]প্রত্নতত্ত্ববিদরা ধারণা করেন পঞ্চদশ শতাব্দীতে খান জাহান আলী তার অনুচরদের নিয়ে ইসলাম ধর্ম প্রচার করতে বাংলায় আসেন। সেই সময়েই তার কোন অনুচর কর্তৃক এই মসজিদ নির্মিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে মাটি চাপা পরে।[৩]
অবকাঠামোসম্পাদনা

সাত গাছিয়া ৩৫ গুম্বুজ আদিনা মসজিদ
সাতগাছিয়া গায়েবানা আদিনা মসজিদটি আয়তাকৃতির। উত্তর-দক্ষিণে ২৪.২৫ মিটার দীর্ঘ ও পূর্ব-পশ্চিমে ১৮.৫৫ মিটার প্রশস্ত।[৪] দেয়াল ১.৬০ মিটার পুরু এবং ভূমি থেকে ১.৮৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু উদ্ধার করা হয়েছে। উত্তরে ৩টি, দক্ষিণে ৫টি, পূর্বে ৭টি ও পশ্চিমে ১টি দরজা রয়েছে। পশ্চিম দিকের দরজাটি স্থানীয় জনগণ বন্ধ করে দিয়েছে। পূর্বদিকে সর্বাধিক ৭টি দরজা থাকার কারনে এইদিককেই মসজিদের সম্মুখ ভাগ হিসেবে ধরা হয়। দরজাগুলো ১.৩০ মিটার চওড়া এবং উপরে সরু খিলামের বক্র রয়েছে। খিলামগুলি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে গেছে। দুই দরজার মধ্যে তলদেশ থেকে দেয়ালে রয়েছে খাড়া খাজ কাটা দিগন্ত রেখাকৃতির বাঁধন। খাজগুলি ০.৬৫ মিটার চওড়া এবং ০.১৩ মিটার গভীর। খাজের উপরের বাঁধনে আছে বুটিদার নকশার দিগন্ত রেখার সারি। নিচের বাঁধনগুলো সমান। মসজিদের পশ্চিম দিকের কেবলা দেয়ালে নকশা সমৃদ্ধ ৬টি মেহরাব আছে। মেহরাবে ফুল, ফুলের কুঁড়ি, পাতা, বৃক্ষ, ঘন্টা, চেইন আঁকা রয়েছে। কেন্দ্রীয় মেহরাবের উত্তরে ১টি মেহরাবের পরিবর্তে রয়েছে একটি বন্ধ দরজা। মেঝে তিনটি প্লাটফর্মে বিভক্ত। কেবলা দেয়ালের সঙ্গে সংযুক্ত দক্ষিণ পাশে রয়েছে একটি পিটানো কংক্রিটের প্লাটফর্ম।[২] মসজিদের ভিতরে ৪৮টি পিলার রয়েছে।[৫
I love this Place
Excellent
ok
The biggest mosque in this historical ruined town
বারোবাজার থেকে ৪ কিলোমিটার পশ্চিমে মসজিদটি অবস্থিত।