ইতিহাস
১৯৭৭ইং সনে হোমনা উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রে মনোরম পরিবেশে ২.৪০ একর জমির উপর হোমনা কফিল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচিতি লাভ করে। ইহার দক্ষিণ পাশ দিয়ে হোমনা বাজার থেকে ১৮ ফুট প্রশস্ত একটি পাকা রাস্তা পূর্ব দিকে মুরাদনগর উপজেলা হয়ে সিলেট ও কুমিল্লা বিশ্ব রোড পর্যন্ত এবং গ্রীণ ট্রাঙ্ক রোড (ঢাকা হইতে চট্টগ্রাম) সড়কে পৌঁছিয়াছে এবং উত্তর দিক দিয়ে তিতাস নদী টিরামচন্দ্রপুর বাজার পর্যন্ত পৌঁছিয়াছে। বিদ্যালয়টির অতি নিকট বর্তী তিতাস নদীর পাড়ে একটি লঞ্চ ঘাটর হিয়াছে। উক্ত লঞ্চ দিয়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর লঞ্চঘাট পর্যন্ত যাওয়া যায়। বিদ্যালয়টির দক্ষিণ পাশ্বে ২৩৬ ফুট দীর্ঘ ও ১৬ ফুট প্রশস্ত নিজস্ব একটি দোতলা মার্কেট আছে।উত্তর দিকে ফ্যাসিলিটিজ কর্তৃক দেয় ১১০ ফুট দীর্ঘ ও ৩০ফুট প্রশস্ত দোতলা একাডেমিক ভবন ও তৎসংলগ্ন উত্তর দিকে ৪২ ফুট দীর্ঘ ও ২৫ ফুট প্রশ্ত একটি বিল্ডিং, পশ্চিম দিকে জেলা পরিষদ ও অন্যান্য উৎস কর্তৃক দেয় ৯০ ফুট দীর্ঘ ও ৩০ ফুট প্রশস্ত পাকা, আধা পাকা টিনসেড একাডেমিক ভবন ও তৎসংলগ্ন নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত ৭৫ ফুট দীর্ঘ ও ৩০ ফুট প্রশস্ত একটি ভিটি পাকাটিনের ঘর রয়েছে।প্রতিষ্ঠালগ্নে পাইলট স্কীম কর্তৃক দেয় ৮৮ ফুটদীর্ঘ ও ৩০ ফুট প্রশস্ত পূর্ব দিকে আধাপাকা টিন সেড ও দক্ষিণ পূর্ব দিকে ফ্যাসিলিটিজ কর্তৃক দেয় ৯০ ফুট দীর্ঘ ও ৩০ ফুট প্রশস্ত একাডেমিক ভবন রয়েছে।ফিমেল সেকেন্ডারী স্কুল এসিসট্যান্ট প্রজেক্ট কর্তৃক ২টি গভীর নলকূপ, ২টি অগভীর নলকূপ ও ১২টি পাকাল্যাট্রিন আছে। বিদ্যালয়টির আলাদা কোন পাঠাগার নেই। কিন্তু পাঠাগারের প্রায় ২,৫৫২ (দুই হাজার পাঁচশত বায়ান্ন)এর অধিক বই রয়েছে এবং বিভিন্ন খেলা ধুলায় অংশ গ্রহণ করে প্রায় ২৫০ (দুইশ পঞ্চাশ) টির চ্যাম্পিয়ন, রানারস আপ প্রাইজ রহিয়াছে। বিদ্যালয়টিতে ১ টি বিজ্ঞানাগার ও ১টি কম্পিউটার ল্যাব আছে। ল্যাবটিতে ৯ টি ডেস্কটপ কম্পিউটার ও ২টি ল্যাপটপ কম্পিউটার আছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৫২৫ জন। উল্লেখ্য যে, ০১/০৬/১৯৭৮ইং তারিখে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক স্তরে এমপিও ভুক্ত হয় এবং ১৮/১০/১৯৭৭ ইং কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক ০১/০১/১৯৭৭ ইং তারিখ হইতে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে একাডেমিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়।