In Tangail there are more historical placeThis is one of thoseLarge palaceI have ever seen before
Artecture is very beautiful but king house use education college.
Zamindar Hemchandra Chowdhury constructed this zamindari (1890). He used to rule the people of his area with a heavy hand. To cross the zamindarbari, he had to walk barefoot on the bare feet and walk in the opposite direction while expressing loyalty. These rules were forced to obey these rules
Good place for family tour. Regardless of all the credentials to become one of the most attractive country, it is not as well known as any other reputed relics. Hemnagar Zamindar Bari has a status as well. Most of the times, the place is not crowded. Not too many tourists come here. The local people who are living around the palace come here. In 1890, it was built by well-known Hindu zamindar Zamindar Hem Chandra. You will find a small statue of an angel in front of the main building of Zamindar’s palace. That is why; the local people say that this is a fairy Jamidarabari building. The main building of the Zamindar is now the Hemnagar College administrative building. There are a lot of relics inside the palace.
বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনস্পটে পরিনত হওয়ার সকল যোগ্যতা থাকার পরও হেমনগর জমিদার বাড়ি খুব একটা সুনাম অর্জন করতে পারেনি এবং খুব বেশি পর্যটকও এখানে আসেন না। মূলত এখানকার আশেপাশে স্থানীয় বসবাসকারীরা এখানে আসেন। ১৮৯০ সালে টাঙ্গাইলের বিশিষ্ট হিন্দু জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরী এই জমিদারবাড়িটি নির্মাণ করেন।
জমিদারবাড়ির মূল ভবনের সামনে দুটি পরীর ছোট মূর্তি রয়েছে আর এ কারনেই স্থানীয়রা এই জমিদারবাড়িকে বলে থাকে পরীর দালান। এই জমিদারবাড়ির মূল ভবনটি বর্তমানে হেমনগর ডিগ্রী কলেজের প্রশাসনিক ভবন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে তবে এখানকার পেছনদিকে অবস্থিত ভবনটি বর্তমানে খালি পড়ে আছে। জমিদারবাড়ির অভ্যন্তরে প্রায় ২৫টি কক্ষ আছে।
জমিদারবাড়ির সামনের দিকটি সবচেয়ে দৃষ্টি নন্দন। রঙ্গিন কাচ দিয়ে ভবনের দেয়ালে নকশা করা হয়েছে। জমিদারবাড়ির দেয়াল, পিলার, ফটকের প্রতিটি ইঞ্চিতে রঙ্গিন কাঁচ ব্যবহার করে ফুল, তারা, গাছ ইত্যাদি সৃষ্টি করা হয়েছে।
জমিদার তার এলাকার মানুষকে কঠোর হাতে শাসন করতেন এবং তাঁদের কিছু নিয়ম মানতে বাধ্য করা হত যেমনঃ কাউকে জমিদারবাড়ির মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করতে হলে তাঁকে খালি পায়ে ক্রমাগত মাথা ঝুঁকিয়ে আনুগত্য প্রকাশের পাশাপাশি উল্টো হয়ে হাটতে হত এবং এ কারনে স্থানীয়দের মনে জমিদারের উপর চরম ক্ষোভ ও ঘৃণার সৃষ্টি হয়। এই ঘৃণা এবং অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে জমিদার দেশবিভাগের সময় জমিদারবাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
মূল জমিদারবাড়ির পাশাপাশি এখানে সাতটি বিশালাকারের পুকুর ছিল যেগুলোর মধ্যে মাত্র কয়েকটি বর্তমানে টিকে রয়েছে। স্থানীয়রা বলে থাকে যে সাতটি পুকুর ছিল জমিদারের সাত ছেলে মেয়ের জন্য। ধনবাড়ি জমিদারবাড়ি এখান থেকে বেশ নিকটে অবস্থিত।
কিভাবে যাবেন
১। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে আপনি বাসে করে সড়কপথে অথবা ট্রেনে করে পৌছাতে পারবেন। টাঙ্গাইল থেকে প্রায় ২০০/- টাকা ভাড়ায় আপনি সিএনজি অটোরিকশায় করে হেমনগরে পৌঁছে যাবেন।
২। এছাড়া ঢাকার মহাখালি বাস টার্মিনাল থেকে সরাসরি বাসে আপনি গোপালপুর অথবা ভুয়াপুর থানায় পৌছাতে পারবেন। সেখান থেকে সিএনজি অটোরিকশায় করে জমিদারবাড়িতে পৌঁছে যাবেন। হেমনগর জমিদারবাড়ির জিপিএস অবস্থান হল (২৪°৩৩’৫৬.৪১”উ, ৮৯°৫১’১২.৫০”পু)
It was awesome experience to visit Hemnagar Rajbari founded by Raja Hem Chandra chowdhury. It is a great example of Bengal architecture. But its a matter of great regret that our government is not concerned enough to maintain this precious historical and monumental architecture.
হেমনগরের হাতছানি
ইতিহাসের পাতায় টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর জমিদার বাড়ির নাম উল্লেখযোগ্য।
হেমনগরের জমিদার ছিলেন হেমচন্দ্র চৌধুরী। বিখ্যাত আম্বারিয়া জমিদার বংশের কালীচন্দ্র চৌধুরীর পুত্র হেমচন্দ্র চৌধুরী জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ১৮৩৩ সালে। তার নামেই এলাকাটির নাম হয়েছে হেমনগর। হেমনগরের পাশাপাশি তিনি পুখুরিয়া পরগণার একআনি অংশেরও জমিদার ছিলেন।
হেমনগরের এই জমিদারবাড়িটির পোষাকি নাম 'এঞ্জেল হাউজ'। ১৮৯০ সালে নির্মিত এই এঞ্জেল হাউজের ভেতরে মোট তিনটি আলাদা বিল্ডিং আছে। এই উপনিবেশিক স্থাপনাটির সবচেয়ে আর্কশনীয় দিক হলো, এর চিনি টিকরী অলংকরণ। বাংলাদেশের উপনিবেশিক যুগের প্রত্নত্বাত্বিক স্থাপনার মধ্যে আবাসিক কাজে ব্যবহৃত যত বিল্ডিং অাছে, চিনি টিকরীর অলংকরণের দিক থেকে এই এঞ্জেল হাউসটি সব চাইতে সেরা। বর্তমানে এই জমিদারবাড়িটি হেমনগর ডিগ্রী কলেজ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের এই জমিদারবাড়িটি যারা এখনো দেখেননি , তারা দেখে আসতে পারেন খুব সজজেই।
শোভামন্ডিত এ রাজবাড়ীটি টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় অবস্থিত। এখানে রয়েছে পুকুর, বিশাল মাঠ, দু’টি পরীর ভাস্কর। স্থানীয়রা এটিকে পরীর দালান নামে চিনে থাকে। পরিচিতি না থাকায় তেমন পর্যটক দেখা যায় না এখানে।