• Delete
  • Edit

About

Dubalhati Masjid is a mosque, located at Dubolhati Rd, Bangladesh. They can be contacted via phone at +880 1719-535049 for more detailed information.

Location :
Dubolhati Rd
Contacts :

Added by Jopie, at 20 February 2018

Gallery

Add missing information

Add email
Add business description
Add website
Add Social Media
Add Products and Services

2 Reviews

  • Mirza Rashed Nawaz
    14 March 2018

    *****দুবলহাটি রাজবাড়ি*****

    বাংলার উত্থান-পতন, ইতিহাসের সাক্ষী নানা রাজবাড়ি, জমিদারবাড়ি, মন্দির, মসজিদ ও নানান স্থাপত্য। কিছু রাজবাড়ি বা পুরানো স্থাপত্য আদর-যত্নে কিছুটা হলেও জৌলুস ধরে রেখেছে। কিছু স্থাপত্য কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, কিছু ভগ্নপ্রায় ও জরাজীর্ণ। এই রাজবাড়ি কিমবা জমিদার বাড়ির প্রতিটা ইঁট ও পাথরে ইতিহাস গেঁথে আছে।

    উত্তর বাংলাদেশের রাজশাহী ডিভিশনের একটা জেলা নওগাঁ, এই জেলায় নওগাঁ নামেই এক শহর আছে। এই নওগাঁ জেলায় বেশকিছু পুরানো রাজবাড়ি ও স্থাপত্য আছে। বালিহার রাজবাড়ি, জগদ্দল বিহার, দুবলহাটি রাজবাড়ি ও স্বাধীনতা মনুমেন্ট অন্যতম। নওগাঁ শহর থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ২০০ বছরের পুরানো এই দুবলহাটি রাজবাড়ি, খুব একটা বিখ্যাত না।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে জমিদার কৃষ্ণনাথ রায় চৌধুরীর হাত ধরে এই জমিদারি এস্টেটের পথ চলা শুরু। ১৭৯৩ সালে এই রাজবাড়ি নির্মাণ করেন। পুত্র সন্তান না থাকায় দৌহিত্র হরনাথ রায় চৌধুরী কৃষ্ণনাথের স্থলাভিষিক্ত হন, তাঁর আমলেই জমিদারির শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। প্রজাদের জলকষ্ট নিবারনে অনেক পুকুর কাটা হয়, শিক্ষার প্রসারে ১৮৬৪ সালে রাজা হরনাথেরই নামাঙ্কিত একটি স্কুল নির্মিত হয়। খানিকটা প্রজাবৎসল রাজা হিসাবেই পরিচিত পান এই হরনাথ।

    প্রাসাদটিতে ১০০ টি কক্ষ, প্রাশ্চাত্যের ধাঁচের থাম, স্টাকো মূর্তি, রঙিন কাচের জানালা, কারুকার্যময় বারান্দা, বৈঠক খানা, খাবার হল, প্রার্থনা কক্ষ, অতিথি নিবাস- এভাবেই সেজে ওঠে রাজবাড়িটি। ঝাড়বাতির আলোয় ঝলমল করতো প্রাসাদ। ১৮৯৫ সালের ভয়াবহ আসাম ভূমিকম্পে প্রবল ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাজবাড়ি। তবে পরে আবার পুনর্নির্মিত হলেও মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এই রাজবাড়ি। রাজা আগেই দেশভাগের সময় ভারতে চলে আসেন।

    ইতিহাস আছে, কিন্তু যত্ন নেই। বাংলাদেশ সরকার প্রাসাদটির দায়িত্ব নিলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। আজ এই রাজবাড়ি এক ভগ্নস্তূপ। রক্ষণাবেক্ষন প্রয়োজন, কারন রাজবাড়িগুলো বহু ইতিহাসের সাক্ষী, বহু মানুষের কান্না লুকিয়ে থাকে রাজবাড়িতে, সর্বসাধারনের কষ্টের টাকায় গড়ে ওঠে রাজবাড়ি, আবার কোনো কোনো রাজা প্রজাপালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে ব্যতিক্রমী ইতিহাস রচনা করেন। সেই সময়ের সমাজ ও স্থাপত্য রীতিকে জানতে এই রাজবাড়ি গুলিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এই রাজবাড়ি গুলোকে কেন্দ্র করে পর্যটনে জোর দেওয়া উচিত।

    লেখক- সৃজন ভট্টাচার্য

    response / report this review
  • Omar Faruk
    27 February 2018

    Yes

    response / report this review

Rate & Write Reviews