ঢাকায় একসময় খ্রিস্টানদের সমাধি করার একমাত্র নির্দিষ্ট স্থান ছিল নারিন্দার এই খ্রিস্টান কবরস্থান।ধারণা করা হয় সতের শতকের মাঝামাঝি থেকে খ্রিস্টানরা এই জায়গাটিকে বেছে নেয় কবরস্থান হিসেবে। প্রাচীর দিয়ে ঘেরা বেশ কম আয়তনের এই কবরস্থানটির পবিত্রকরণ অনুষ্ঠান সমাপন করেছিলেন বিশপ হেবার ১৮২৪ সালে। বলধা গার্ডেনের সামনে খ্রিস্টান কবরস্থান যারা দেখেছেন তাদের একটা বিশাল অংশই ভিতরে ঢুকে দেখেননি কী আছে সেখানে। অবশ্য ঢোকার দরজা বেশীরভাগ সময়ই বন্ধ হয়ে থাকে, এবং ঢুকতে ব্যাপটিস্ট চার্চের অনুমোদন লাগে।এখানকার কবরগুলোর মধ্যে খ্রিস্টান ঐতিহ্য অনুসারে উচুমানের কিছু কারুকাজ করা স্তম্ভ ও মুর্তি আছে। যেমন এলিজাবেথ নামের এক মহিলার কবরে মা মেরীর ক্রন্দনরত ভাস্কর্যটি কিংবা তিনজন হোলি সৌলের হাটু গেঁড়ে থাকা ভাস্কর্য। পুরাতন কবরগুলোতে একটা আকর্ষনীয় বৈশিষ্ট আছে। তারা কবরগুলোর সৌধ প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্য অনুসরণ করে বানাতো। অনেকটা মন্দির কিংবা নবাবী স্টাইলের।প্রতিবছর নভেম্বরের দুই তারিখে আয়োজন করা হয় কবর আর্শীবাদের। সেদিন সমাহিত প্রায় সবারই আপনজনরা এখানে আসেন, প্রার্থনা করেন। কাকরাইলের ঢাকা খ্রিস্টান সিমিটারি বোর্ড এর পরিচালনা করছে। #BiskClub
Oldest cemetry in our old Dhaka
Oldest cemetery in our country. It was a historical cemetery for that government declined it to protected antiquity.
Cool little cemetery, no entrance fee or anything (just knock on the metal doors), could use a little TLC